
John Bunyan (1628-1688)
John Bunyan (28 November 1628 31 August 1688) was an English Christian writer and preacher, who is well-known for his book The Pilgrim's Progress.
Famous book :
- Pilgrim's Progress.
Famous Quotation :
"In prayer it is better to have a heart without words than words without a heart."
মনে রাখার কৌশল BNP থেকে মনে রাখা যায়।
| BN= Bunyan |
| P = Pilgrim's Progress |
John Bunyan এর বিখ্যাত গ্রন্থ:
'The Pilgrim's Progress' এর সার সংক্ষেপ
'The Pilgrim's Progress' গল্পটি নির্দিষ্ট ধর্ম (খ্রিস্টান) বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ধ্বংসের শহরের অধিবাসী গ্রেসলেস, যার বর্তমান নাম ক্রিস্টিয়ান (Christian)। তার লক্ষ্য অনন্ত জীবন লাভ। গায়ে তার জীর্ণ পোশাক ও পিঠে পাপের বোঝা। সে দাঁড়িয়ে ছিল এক ধূসর প্রান্তরে। এমন সময় পার্থিব যন্ত্রণা ও পাপবোধ থেকে মুক্তি লাভের জন্য ইভানজেলিস্ট (Evangelist) নামক ধর্মোপদেশক তাকে স্বর্গীয় নগরীর দিকে অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ দেন। ক্রিস্টিয়ান চায় তার স্ত্রী পুত্ররাও তার সাথে সফরে বের হউক কিন্তু তারা তার কথায় গুরুত্ব দেয় না। সে একাই পথে বেড়োয়। হতাশার জলাভূমি পেরিয়ে উইকেট গেটে পৌছায়। ইন্টারপ্রিটারের (Interpreter) বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় চিত্রাবলী দেশে আত্মিক উন্নতি ঘটায়। যীশুর সমাধির কাছে আসার পর পিঠের পাপের বোঝাটা নেমে যায়। অতঃপর উজ্জ্বল পোশাকের কয়েকজন দেবদূত এসে তার গায়ের ছেড়া মলিন পোশাক পরিবর্তন করে নতুন পোশাক পরিয়ে দেয়। তার হাতে নগরীতে প্রবেশের অনুমতি পত্রও তুলে দেয়। ক্রিস্টিয়ান তার যাত্রাপথে সিম্পল, স্লথ আর প্রিজাম্পসান নামে তিন ব্যক্তিকে ঘুমে আচ্ছন্ন থাকতে দেখে। সে অনেক চেষ্টা করেও তাদের জাগ্রত করতে ব্যর্থ হয়। কিছুক্ষণ পর সে ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানদের সমবেত হওয়ার স্থান বিউটিফুল রাজপ্রাসাদে পৌছায়। এখান থেকে তাকে পথের বিপদ আপদ মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন অর্থ সরবরাহ করা হয়। প্রাসাদ থেকে বের হয়ে সে এপোলিয়ন (Apollyon) নামক এক দৈত্যের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং জয়ী হয়। অসীম সাহসীকতা নিয়ে হিউমেলিয়েশান ও মৃত্যু উপত্যকা পার হয়। এসময় ফেইথফুল (Faithful) নামের এক তীর্থযাত্রীর সাথে তার দেখা হয়। যাকে ভেনিটি নামক নগরীতে অন্যায়ভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিছুদিন পর ক্রিস্টিয়ান কারা ভোগ থেকে মুক্তি পায়। যাত্রাপথে সে হোপফুল (Hopeful) নামক তীর্থযাত্রীর সাক্ষাত পায়, যার চরিত্র অনেকটা ফেইথফুলের মতোই। হোপফুলের সাহায্যে ডেসপেয়ার নামক দৈত্যের কবল থেকে সে রক্ষা পায়। অতঃপর তারা ডিলেকেটবল পর্বতের পাদদেশে পৌঁছায়। সেখানকার মেষপালকেরা তাদের অনেক দর্শনীয় স্বর্ণ দেখায়। পবর্তের চূড়ায় নিয়ে তাদের স্বর্গীয় নগরীর কিছু অংশ দেখানো হয়। অবশেষ মৃত্যু নদী পার হয়ে তারা স্বর্গীয় নগরীতে পৌঁছায়। সংবর্ধনার মাধ্যমে তাদের বরণ করে নেয়া হয়।
গল্পের দ্বিতীয় অংশের সমস্ত ঘটনা আবির্তত হয় ক্রিস্টিয়ানের স্ত্রী ও চার ছেলেকে ঘিরে। মুক্তি লাভের জন্যে তারা ও প্রতিবেশীর মেয়ে মার্সি ক্রিস্টিয়ানের পথ ধরে এগিয়ে চলে।
Read more